জালে ধরা পড়লো মানুষের মুখের মতো আকৃতির বিরল প্রজাতির মৎস্যকন্যা, তুমুল ভাইরাল ভিডিও

 


স্যোশাল মিডিয়ায় মাঝেমাঝেই বিভিন্ন ধরণের ভিডিও ভাইরাল হয়। পশুপাখির মজাদার কার্যকলাপ হোক কিংবা তথ্যসমৃদ্ধ কোনো ঘটনা,
কোয়ালিটির কন্টেন্ট হলেই তা মানুষের নিউজফিডে পৌঁছতে বেশি সময় নেয় না। পৃথিবীতে যা কিছু অদেখা অজানা, সেসব‌ই কৌতুহলের উদ্রেক করে।
চর্চার অংশ হয়। সাহিত্য-সিনেমা থেকে শুরু করে লোকজ সংস্কৃতিতে মৎসকন্যাদের নিয়ে আলোচনার অন্ত নেই। শরীরের উপরিভাগ নারী,

পুরুষের অবয়ব এবং নিচের অংশ মাছের শরীরের মতো দেখতে জলরাজ্যের অসম্ভব সুন্দর এই জলপরীদের অস্তিত্ব আসলেই কি পৃথিবীতে আছে? মারমেইড বা মৎস্যকন্যা নামক প্রাণীটি আলোচনায় এসেছে মেরফোক বা মের্পিপলের গল্প থেকে। 

মেরফোক নামের রহস্যময় এই জলজ প্রাণীদের পুরুষ অবয়বের নাম মেরম্যান ও নারীদের বলা হয় মারমেইড। সমগ্র বিশ্বের সব লোককাহিনি ও পৌরাণিক কাহিনিতে কমবেশি মারমেইড তথা জলজগতের এই রহস্যময় প্রাণীটি আলোচনায় এসেছে। আর এইবার এর সাক্ষাৎ দর্শন মিলল নেটপাড়ার দৌলতেই।

 দেখা যাচ্ছে, একটি ছোট্ট প্রাণীকে। তবে প্রাণী বলা যায় কি? কারণ এর শরীরে তো প্রাণ নেই।শ্যাওলাসবুজ আর সমুদ্রনীল মিশিয়ে যে ময়ূরকন্ঠী রং আসে, সেই রঙা শরীর। পিঠের কাছে কালো চেরা দাগ। কোমরের পর নেমে এসেছে মাছের লেজ। লেজের পাখনা, হাত ও কান কমলারঙা। 

কান সাধারণ মানুষের থেকে খানিকটা বড়‌ই। বুকে ভর দিয়ে জালের উপর শুয়ে রয়েছে ছোট্ট একটা শরীর। শিশুর। তাঁকে কি ধরা হয়েছে সমুদ্র থেকে? কোন অতল থেকে এসেছে সে? এসব প্রশ্ন যখন‌ই মনে জাঁকিয়ে বসতে গেছে তখন‌ই চোখ পড়ে পোস্টের ক্যাপশনে। 
সেখানে লেখা রয়েছে, “নতুন মৎসকন্যা শিশু উপলব্ধ। কিনতে হলে যোগাযোগ করুন।” পুতুল। হ্যাঁ, কল্পনার মৎসকন্যাকে শিল্পে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে পুতুলরুপে। ভিডিওটি নেটপাড়া তোলপাড় করছে। প্রথমবার দেখে বোঝা দায় যে এটি আসল কিছু নয়। ডিমিট্রি আর্টস নামক ইনস্টা পেজ থেকে পোস্ট করা হয়েছে ভিডিওটি। ইতিমধ্যেই তেরো লাখ মানুষ লাইক করেছেন ভিডিওটি।

Admin

I am a content writer & interested itself.I thing all are support to me.

Post a Comment

Previous Post Next Post